Visa Compass
প্যাকেজ
Visa Compass

বাংলাদেশি ট্রাভেলারদের জন্য তৈরি ভিসা সাপোর্ট — স্বচ্ছ প্রাইসিং, লোকাল পেমেন্ট আর প্রথম প্রশ্ন থেকে চূড়ান্ত অনুমোদন পর্যন্ত সত্যিকারের বাংলা সাপোর্ট।

আমরা কখনো ডকুমেন্ট বা রিজার্ভেশন তৈরি করি না। একজন রিয়েল পার্সন প্রতিটি সাবমিশন রিভিউ করেন। আপনার ডেটা বাংলাদেশের মধ্যেই থাকে।
ঘুরে দেখুন
  • কেন ভিসা কম্পাস
  • প্রক্রিয়া
  • প্যাকেজ
  • জিজ্ঞাসা
শুরু করুন
  • আবেদন শুরু করুন
  • সাইন ইন
  • অ্যাকাউন্ট তৈরি করুন
SSLCommerz-এর মাধ্যমে সুরক্ষিত পেমেন্ট
bKashNagadRocketVISAMastercardAMEX

© 2026 Visa Compass. All rights reserved.

সেবার শর্তাবলীগোপনীয়তা নীতিরিফান্ড নীতিযোগাযোগ
  1. হোম/
  2. থাইল্যান্ড

Bangladesh→থাইল্যান্ড

থাইল্যান্ড ভিসা অপশন

বিডিটি-তে স্বচ্ছ মূল্য, চেক করতে সাইনআপ লাগে না। আপনার ভ্রমণের সাথে মানানসই ভিসা বেছে নিন — বাকিটা আমরা গাইড করব।

বাংলাদেশি পাসপোর্টের জন্যটাকায় পেমেন্ট: বিকাশ, নগদ, কার্ডজমার আগে বিশেষজ্ঞ যাচাইদেখতে সাইনআপ লাগে না
প্রয়োজন
বিডি পাসপোর্টের জন্য ভিসা
৳৫,৩০৫ থেকে
সরকারি ফি
৭-১০ দিন
সাধারণ প্রসেসিং
৬০ দিন
প্রতি এন্ট্রিতে সর্বোচ্চ থাকা

আপনার ভিসার ধরন বেছে নিন

🏖

থাইল্যান্ড ট্যুরিস্ট ভিসা

একক প্রবেশ
বিস্তারিত দেখুন

সংক্ষিপ্ত বিবরণ

বাংলাদেশি সাধারণ পাসপোর্টধারীদের থাইল্যান্ডের জন্য ভিসা লাগে, এবং অন-অ্যারাইভাল ভিসা নেই। ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে পুরো প্রক্রিয়া অফিসিয়াল থাই ই-ভিসা সিস্টেমে অনলাইনে হয়, তাই দূতাবাসে লাইন দিতে হয় না।

ভিসা কম্পাস বাংলাদেশের ভ্রমণকারীদের জন্য থাইল্যান্ড ই-ভিসা শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সামলায়। ভিসা বেছে নিন, কাগজপত্র আপলোড করুন, আর আমাদের টিম ঢাকার রয়্যাল থাই দূতাবাসে আপনার আবেদন যাচাই করে জমা দেয়। আপনি টাকায় পেমেন্ট করেন, আর অনুমোদনের পরেই কেবল ডাকযোগে পাসপোর্ট চাওয়া হয়।

যেভাবে কাজ করে

কাগজপত্র থেকে অনুমোদন, পুরো পথ আমাদের গাইডে

দূতাবাসের লাইন নেই, অনুমানও নেই। অনলাইনে টাকায় আবেদন করুন আর সিদ্ধান্ত পর্যন্ত প্রতিটি ধাপ ট্র্যাক করুন।

  1. 1

    ভিসা বেছে নিন ও দাম দেখুন

    আপনার ভ্রমণের উপযুক্ত ভিসা বেছে নিন এবং টাকায় পুরো দাম, বিস্তারিতভাবে দেখুন। দেখার জন্য অ্যাকাউন্ট লাগে না।

  2. 2

    কাগজপত্র আপলোড করুন

    পাসপোর্ট স্ক্যান করুন এবং প্রয়োজনীয় কাগজ আপলোড করুন। ফর্মের বেশিরভাগ পাসপোর্ট থেকেই পূরণ হয়ে যায়।

  3. 3

    আমরা যাচাই করে জমা দিই

    একজন ভিসা বিশেষজ্ঞ প্রতিটি কাগজ পোর্টালের নিয়ম অনুযায়ী যাচাই করেন, তারপর দূতাবাসে আপনার আবেদন জমা দেন।

  4. 4

    অনুমোদন পর্যন্ত স্ট্যাটাস ট্র্যাক করুন

    প্রতিটি ধাপ অনুসরণ করুন এবং কিছু প্রয়োজন হলে আগেই জানুন। অনুমোদন হওয়ামাত্র আমরা আপনাকে জানাই।

কেন ভিসা কম্পাস

বাংলাদেশি ভ্রমণকারীদের জন্য তৈরি, নীতিগতভাবে স্বচ্ছ

স্বচ্ছ মূল্য

সরকারি ফি ও আমাদের সার্ভিস ফি, পেমেন্টের আগেই বিস্তারিত। কোনো লুকানো চার্জ নেই।

বিশেষজ্ঞ কাগজ যাচাই

জমার আগে একজন বিশেষজ্ঞ পোর্টালের নিয়ম অনুযায়ী কাগজ যাচাই করেন, তাই এড়ানো যায় এমন প্রত্যাখ্যান আগেই ধরা পড়ে।

টাকায় স্থানীয় পেমেন্ট

SSLCommerz-এর মাধ্যমে বিকাশ, নগদ, রকেট বা কার্ড। বিদেশি কার্ড বা মুদ্রার দরকার নেই।

লাইভ স্ট্যাটাস ট্র্যাকিং

প্রতিটি ধাপে আপনার আবেদন অনুসরণ করুন, প্রয়োজন হলে স্পষ্ট আপডেটসহ।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

বাংলাদেশি নাগরিকদের কি থাইল্যান্ডের জন্য ভিসা লাগে?

হ্যাঁ। সাধারণ বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীদের ভ্রমণের আগে ভিসা লাগে, কারণ থাইল্যান্ড বাংলাদেশের জন্য অন-অ্যারাইভাল ভিসা দেয় না। আপনি থাই ই-ভিসা সিস্টেমে অনলাইনে আবেদন করেন।

থাইল্যান্ড ট্যুরিস্ট ভিসার খরচ কত?

সরকারি চার্জ জনপ্রতি ৫,৩০৫ টাকা: ৪,৫০০ ভিসা ফি, ৭০০ কনভিনিয়েন্স ফি, এবং ১০৫ ভ্যাট। সিঙ্গেল ও মাল্টিপল এন্ট্রিতে এটি এক। ভিসা কম্পাসের কোনো সার্ভিস ফি থাকলে তা পেমেন্টের আগে আলাদাভাবে দেখানো হয়।

কত সময় লাগে?

সম্পূর্ণ আবেদন সাধারণত ৭ থেকে ১০ কর্মদিবসে প্রক্রিয়া হয়। পিক সিজনে (অক্টোবর থেকে ফেব্রুয়ারি) আরও বেশি সময় লাগতে পারে, তাই ভ্রমণের ৬ থেকে ৮ সপ্তাহ আগে আবেদন করার পরামর্শ দিই।

থাইল্যান্ডে কতদিন থাকতে পারব?

প্রতি এন্ট্রিতে সর্বোচ্চ ৬০ দিন। থাই ইমিগ্রেশন অফিসে স্থানীয় ফি দিয়ে একবার ৩০ দিন বাড়াতে পারেন।

সিঙ্গেল ও মাল্টিপল এন্ট্রির পার্থক্য কী?

সিঙ্গেল এন্ট্রি ৩ মাস বৈধ এবং একবার থাইল্যান্ডে ঢোকার সুযোগ দেয়। মাল্টিপল এন্ট্রি ৬ মাস বৈধ এবং একাধিকবার ঢোকার সুযোগ দেয়, প্রতিবার সর্বোচ্চ ৬০ দিন। দাম ও কাগজপত্র এক; শুধু বৈধতা আলাদা।

আমাকে কি পাসপোর্ট পাঠাতে হবে?

আবেদনের জন্য নয়। থাইল্যান্ড ই-ভিসা পুরোপুরি অনলাইন। অনুমোদনের পরেই কেবল ঢাকার দূতাবাস ডাকযোগে আপনার পাসপোর্ট চাইতে পারে।

আমার কী কী কাগজ লাগবে?

কমপক্ষে ৬ মাস মেয়াদ ও ২টি ফাঁকা পৃষ্ঠাসহ পাসপোর্ট, সাম্প্রতিক ছবি, অর্থের প্রমাণ, এবং আপনার ভ্রমণ ও থাকার তথ্য। আপনার উদ্দেশ্য অনুযায়ী সঠিক তালিকা শুরুর আগেই ভিসা পেজে দেখানো হয়।

ফি কি ফেরতযোগ্য?

সরকারি ফি ফেরতযোগ্য নয়, এবং ভিসার বৈধতা ভ্রমণের তারিখ নয়, ইস্যুর তারিখ থেকে শুরু হয়। তাই আমরা জমা দেওয়ার আগে আপনার কাগজপত্র যত্ন করে যাচাই করি।

TDAC কী?

থাইল্যান্ড ডিজিটাল অ্যারাইভাল কার্ড একটি আলাদা, বিনামূল্যের ফর্ম যা প্রতিটি ভ্রমণকারী পৌঁছানোর ৭২ ঘণ্টার মধ্যে জমা দেন। এটি ভিসার অংশ নয়, এবং আমরা আপনাকে মনে করিয়ে দেব।

শুরু করতে প্রস্তুত?

এখনই আপনার কাগজপত্র ও দাম যাচাই করুন। শুধু প্রস্তুত হলে অ্যাকাউন্ট তৈরি করুন, আর জমা দেওয়ার সময়েই পেমেন্ট করুন।

আপনার আবেদন শুরু করুন

দেখতে সাইনআপ লাগে না