
থাইল্যান্ডBD পাসপোর্টধারীদের জন্য
পর্যটনের উদ্দেশ্যে যেমন দর্শনীয় স্থান ভ্রমণ, ছুটি কাটানো এবং বন্ধু/পরিবারের সাথে দেখা করা। একক প্রবেশ, সর্বোচ্চ ৬০ দিন।
এটি আপনার ডকুমেন্ট ও এন্ট্রি অপশন নির্ধারণ করে।
ভ্রমণের মাঝে থাইল্যান্ড ছেড়ে গিয়ে আবার ফিরতে চাইলে মাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসা লাগবে।
নিশ্চিত নন? বেশিরভাগ প্রথম ভ্রমণে সিঙ্গেল এন্ট্রিই যথেষ্ট।
এন্ট্রির ধরন বদলালে সাথে সাথে আপডেট হয়। কোনো লুকানো চার্জ নেই — এই দামই চূড়ান্ত।
আবেদন শুরু করুনশুরু করতে অ্যাকাউন্ট লাগবে না · জমা দেওয়ার সময়ই কেবল পেমেন্ট
6টি আবশ্যক
প্রতিটির জন্য আবেদনের ভেতরে “এটি কীভাবে পাব?” গাইড আছে।
গত ৬ মাস ধরে আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে কমপক্ষে ฿২০,০০০ থাকার প্রমাণ দেখান।
সমস্ত ডকুমেন্ট ইংরেজিতে হতে হবে বা প্রত্যয়িত অনুবাদ সহ জমা দিতে হবে। অসম্পূর্ণ আবেদন প্রত্যাখ্যান করা হবে। ফি অ-ফেরতযোগ্য। ভিসার বৈধতা ভ্রমণের তারিখ থেকে নয়, ইস্যু করার তারিখ থেকে শুরু হয়। যাত্রার ৭২ ঘন্টার মধ্যে tdac.immigration.go.th-এ TDAC (থাইল্যান্ড ডিজিটাল অ্যারাইভাল কার্ড) সম্পূর্ণ করতে ভুলবেন না।
দূতাবাসের লাইন নেই, অনুমানও নেই। অনলাইনে টাকায় আবেদন করুন আর সিদ্ধান্ত পর্যন্ত প্রতিটি ধাপ ট্র্যাক করুন।
আপনার ভ্রমণের উপযুক্ত ভিসা বেছে নিন এবং টাকায় পুরো দাম, বিস্তারিতভাবে দেখুন। দেখার জন্য অ্যাকাউন্ট লাগে না।
পাসপোর্ট স্ক্যান করুন এবং প্রয়োজনীয় কাগজ আপলোড করুন। ফর্মের বেশিরভাগ পাসপোর্ট থেকেই পূরণ হয়ে যায়।
একজন ভিসা বিশেষজ্ঞ প্রতিটি কাগজ পোর্টালের নিয়ম অনুযায়ী যাচাই করেন, তারপর দূতাবাসে আপনার আবেদন জমা দেন।
প্রতিটি ধাপ অনুসরণ করুন এবং কিছু প্রয়োজন হলে আগেই জানুন। অনুমোদন হওয়ামাত্র আমরা আপনাকে জানাই।
হ্যাঁ। সাধারণ বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীদের ভ্রমণের আগে ভিসা লাগে, কারণ থাইল্যান্ড বাংলাদেশের জন্য অন-অ্যারাইভাল ভিসা দেয় না। আপনি থাই ই-ভিসা সিস্টেমে অনলাইনে আবেদন করেন।
সরকারি চার্জ জনপ্রতি ৫,৩০৫ টাকা: ৪,৫০০ ভিসা ফি, ৭০০ কনভিনিয়েন্স ফি, এবং ১০৫ ভ্যাট। সিঙ্গেল ও মাল্টিপল এন্ট্রিতে এটি এক। ভিসা কম্পাসের কোনো সার্ভিস ফি থাকলে তা পেমেন্টের আগে আলাদাভাবে দেখানো হয়।
সম্পূর্ণ আবেদন সাধারণত ৭ থেকে ১০ কর্মদিবসে প্রক্রিয়া হয়। পিক সিজনে (অক্টোবর থেকে ফেব্রুয়ারি) আরও বেশি সময় লাগতে পারে, তাই ভ্রমণের ৬ থেকে ৮ সপ্তাহ আগে আবেদন করার পরামর্শ দিই।
প্রতি এন্ট্রিতে সর্বোচ্চ ৬০ দিন। থাই ইমিগ্রেশন অফিসে স্থানীয় ফি দিয়ে একবার ৩০ দিন বাড়াতে পারেন।
সিঙ্গেল এন্ট্রি ৩ মাস বৈধ এবং একবার থাইল্যান্ডে ঢোকার সুযোগ দেয়। মাল্টিপল এন্ট্রি ৬ মাস বৈধ এবং একাধিকবার ঢোকার সুযোগ দেয়, প্রতিবার সর্বোচ্চ ৬০ দিন। দাম ও কাগজপত্র এক; শুধু বৈধতা আলাদা।
আবেদনের জন্য নয়। থাইল্যান্ড ই-ভিসা পুরোপুরি অনলাইন। অনুমোদনের পরেই কেবল ঢাকার দূতাবাস ডাকযোগে আপনার পাসপোর্ট চাইতে পারে।
কমপক্ষে ৬ মাস মেয়াদ ও ২টি ফাঁকা পৃষ্ঠাসহ পাসপোর্ট, সাম্প্রতিক ছবি, অর্থের প্রমাণ, এবং আপনার ভ্রমণ ও থাকার তথ্য। আপনার উদ্দেশ্য অনুযায়ী সঠিক তালিকা শুরুর আগেই ভিসা পেজে দেখানো হয়।
সরকারি ফি ফেরতযোগ্য নয়, এবং ভিসার বৈধতা ভ্রমণের তারিখ নয়, ইস্যুর তারিখ থেকে শুরু হয়। তাই আমরা জমা দেওয়ার আগে আপনার কাগজপত্র যত্ন করে যাচাই করি।
থাইল্যান্ড ডিজিটাল অ্যারাইভাল কার্ড একটি আলাদা, বিনামূল্যের ফর্ম যা প্রতিটি ভ্রমণকারী পৌঁছানোর ৭২ ঘণ্টার মধ্যে জমা দেন। এটি ভিসার অংশ নয়, এবং আমরা আপনাকে মনে করিয়ে দেব।
এখনই আপনার কাগজপত্র ও দাম যাচাই করুন। শুধু প্রস্তুত হলে অ্যাকাউন্ট তৈরি করুন, আর জমা দেওয়ার সময়েই পেমেন্ট করুন।
আপনার আবেদন শুরু করুনদেখতে সাইনআপ লাগে না